স্বাস্থ্য খাতে বড় নিয়োগের প্রস্তুতি: শূন্য পদের হালনাগাদ তথ্য তলব

স্বাস্থ্য খাতে বড় নিয়োগের প্রস্তুতি: শূন্য পদের হালনাগাদ তথ্য তলব

দেশের স্বাস্থ্য খাতের দীর্ঘদিনের জনবল সংকট নিরসনে একটি বড় ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী স্বাস্থ্য খাতে প্রায় এক লাখ কর্মী নিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন অধিদপ্তর ও সংস্থায় কর্মরত জনবল এবং শূন্য পদের হালনাগাদ তথ্য চেয়ে নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। মঙ্গলবার স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের প্রশাসন-৩ শাখা থেকে এই জরুরি নির্দেশনাটি দেওয়া হয়।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, স্বাস্থ্য খাতের প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে এবং জনবল কাঠামো পুনর্গঠনের লক্ষ্যে একটি স্বচ্ছ ডাটাবেজ তৈরি করা অত্যন্ত জরুরি। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সকল অধিদপ্তর, সংস্থা এবং বিভাগগুলোকে তাদের অনুমোদিত পদের বিপরীতে বর্তমান জনবল ও শূন্য পদের বিস্তারিত তালিকা নির্ধারিত ছকে জমা দিতে বলা হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর, বাংলাদেশ নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কাউন্সিল, স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এবং আইইডিসিআর-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোকে এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে আগামী ৯ জুলাইয়ের মধ্যে এই তথ্য স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের প্রশাসন-৩ শাখায় হার্ড কপির পাশাপাশি ই-মেইলের মাধ্যমে সফট কপি আকারে পাঠানোর সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে স্বাস্থ্য খাতের প্রকৃত জনবল কাঠামো ও শূন্য পদের একটি পূর্ণাঙ্গ চিত্র তৈরি করা হবে। এই তথ্যভাণ্ডার পরবর্তীতে নিয়োগ প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নে কৌশলগত সিদ্ধান্ত গ্রহণে ব্যবহৃত হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে স্বাস্থ্য খাতের বিভিন্ন স্তরে জনবলের ঘাটতি থাকায় তৃণমূল পর্যায়ে চিকিৎসাসেবা প্রদান ব্যাহত হচ্ছিল। বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোতে প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় সাধারণ মানুষ সঠিক সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এই পদক্ষেপ স্বাস্থ্য খাতের সেই দীর্ঘস্থায়ী সংকট নিরসনে একটি ইতিবাচক মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। তথ্য যাচাই-বাছাই শেষে দ্রুত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে দেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টির পাশাপাশি নাগরিক সেবার মান উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এছাড়াও

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর দ্রুত চালুর দাবিতে রাজপথে শহীদ পরিবার ও জুলাই রেভোল্যুশনারি অ্যালায়েন্স

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর দ্রুত চালুর দাবিতে রাজপথে শহীদ পরিবার ও জুলাই রেভোল্যুশনারি অ্যালায়েন্স

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতি ও চেতনাকে সমুন্নত রাখতে প্রস্তাবিত ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’ দ্রুততম সময়ের মধ্যে চালুর …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *