বেয়ারাকে দিয়ে গৃহস্থালির কাজ করানোর অভিযোগ: কাঠগড়ায় পটুয়াখালীর এডিএম

বেয়ারাকে দিয়ে গৃহস্থালির কাজ করানোর অভিযোগ: কাঠগড়ায় পটুয়াখালীর এডিএম

পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এক সরকারি বেয়ারাকে দিয়ে নিজ বাসায় গৃহস্থালির কাজ করানোর অভিযোগ উঠেছে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) মোহাম্মদ তারেক হাওলাদারের বিরুদ্ধে। আল মামুন রিয়াদ নামে ওই কর্মচারী জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে লিখিত অভিযোগ করলে বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনিক মহলে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগকারী রিয়াদের দাবি, শারীরিক অসুস্থতা সত্ত্বেও তাঁকে দিয়ে ঘরের ঝাড়ু দেওয়া, কাপড় ধোয়া, হাঁস-মুরগির যত্ন নেওয়া এমনকি সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও কাজ করানো হতো।

অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের জুন মাসে যোগদানের পর থেকেই রিয়াদকে এডিএম তার ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করতে থাকেন। এমনকি গত ২৪ এপ্রিল রিয়াদের দাদি মারা গেলে, জানাজার প্রস্তুতির সময়ও তাঁকে বাসায় ডেকে পাঠানো হয়। রিয়াদ যেতে অস্বীকৃতি জানালে তাঁকে নানাভাবে হয়রানি ও বদলির হুমকি দেওয়া হয়। পরবর্তীতে সরকারি দায়িত্ব পালনে অবহেলার অভিযোগে তাঁকে কারণ দর্শানোর নোটিশও দেওয়া হয়, যা রিয়াদের অভিযোগের সত্যতা আরও জোরালো করে।

ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারের নির্দেশনায় বর্তমানে পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী বিষয়টি তদন্ত করছেন। গত ২২ জুন এ সংক্রান্ত শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে অভিযোগ ওঠার পর থেকেই রিয়াদকে বিভিন্ন মহল থেকে অভিযোগ প্রত্যাহারের জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত এডিএম মোহাম্মদ তারেক হাওলাদারের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী জানিয়েছেন, তদন্তাধীন বিষয়ে এখনই কোনো মন্তব্য করা সমীচীন নয়। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারের এমন গুরুতর অভিযোগ প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ওপর বড় ধরনের প্রশ্ন তুলেছে।

এছাড়াও

চলে গেলেন ‘পাপেটম্যান’ মুস্তাফা মনোয়ার: শোকের ছায়া সাংস্কৃতিক অঙ্গনে

চলে গেলেন ‘পাপেটম্যান’ মুস্তাফা মনোয়ার: শোকের ছায়া সাংস্কৃতিক অঙ্গনে

বাংলাদেশের শিল্প ও সংস্কৃতি অঙ্গনে এক নক্ষত্রপতন ঘটল। খ্যাতিমান চিত্রশিল্পী, বরেণ্য পাপেট ব্যক্তিত্ব এবং মিডিয়া …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *