আগৈলঝাড়ায় গৃহবধুর পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার
অভিযুক্ত ৩ আসামী

আগৈলঝাড়ায় গৃহবধুর পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

বরিশাল প্রতিনিধি :

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় গৃহবধুর দায়ের করা পর্নোগ্রাফি মামলার প্রধান আসামি কাজী বিফোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৪ জুলাই) রাতে তাকে গ্রেপ্তার করে বুধবার সকালে বরিশাল আদালতে প্রেরণ করা হয়।

থানার ওসি (তদন্ত) মো. মাজহারুল ইসলাম জানান, গৌরনদী উপজেলার বার্থী গ্রামে বিয়ে দেয়া মেয়ে কাজী নিশাত (১৯) কয়েকদিন আগে আগৈলঝাড়া উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নের ভালুকশী গ্রামে বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসে। গত সোমবার দুপুরে ওই গৃহবধু বাড়ির পুকুরে গোসল করতে যায়। এ সময় একই বাড়ির কাজী আজাদের ছেলে গৃহবধুর চাচাতো ভাই কাজী বিফোর (২২) গোপনে ওই গৃহবধুর গোসল করা ও কাপড়-চোপড় পাল্টানোর নগ্ন ভিডিও দৃশ্য তার নিজের ফোনে ধারণ করে। এর আগে বিভিন্ন সময়ে বখাটে বিফোর তার চাচাতো বোনকে বিভিন্ন কু-প্রস্তাব দিয়ে উত্যক্ত করে আসছিলো।

সোমবার রাতেই বখাটে বিফোর গোসলের ভিডিও ওই গৃহবধুর ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে পাঠিয়ে রাতে তার সাথে দেখা করতে বলে। গৃহবধু বিফোরের কথায় রাজি না হলে বিফোর ম্যাসেঞ্জারে ফোন দিয়ে তার কাছে ২লাখ টাকা দাবি করেন। দাবিকৃত টাকা না দিলে তার অশ্লীল ভিডিও ইন্টারনেটের ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দেয়।

বিষয়টি ওই গৃহবধু তার স্বামী ও বাবার পরিবারের লোকজনকে জানান। পরিবারের লোকজন ঘটনায় অভিযুক্ত বিফোরের পরিবারের কাছে জানালে বিফোরের দাদা কাজী সাহাদাৎ হোসেন (৬০) ও বড় ভাই কাজী তুষার (২৬) অভিযোগ আমলে না নিয়ে বরং তারা বিফোরের ধারণ করা ভিডিওটি গোপন করার চেষ্টা করে।

স্থানীয়ভাবে বিচার না পেয়ে ভুক্তভোগী ওই গৃহবধু বাদী হয়ে ফিরোজকে প্রধান আসামি এবং তাকে সহায়তা করার জন্য তার দাদা ও ভাইকে আসামি করে মঙ্গলবার (৪ জুলাই) রাতে ২০১২ সালের পর্নোগ্রাফি আইনের ৮(১)/৮(২)৮(৩)/৮(৭) ধারায় আগৈলঝাড়া থানায় মামলা দায়ের করেন।

ওই মামলায় অভিযান চালিয়ে মঙ্গলবার রাতেই প্রধান আসামি কাজী বিফোরকে (২২) গ্রেপ্তার করে আগৈলঝাড়া থানা পুলিশ। পরে বুধবার সকালে তাকে বরিশাল আদালতে প্রেরণ করা হয়।

এছাড়াও

চট্টগ্রামের চাঞ্চল্যকর আয়াত হত্যা মামলার রায়, আবীরের মৃত্যুদণ্ড

চট্টগ্রামের চাঞ্চল্যকর আয়াত হত্যা মামলার রায়, আবীরের মৃত্যুদণ্ড

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি : চট্টগ্রামে পাঁচ বছরের শিশু আলিনা ইসলাম আয়াতকে অপহরণের পর হত্যা করে মরদেহ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *