দেশনেত্র ডেস্ক :
ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েলি যুদ্ধের প্রথম ১০০ ঘণ্টাতে ওয়াশিংটনের আনুমানিক ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার খরচ হয়েছে। বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ ও সমরাস্ত্র ব্যবহারের ফলে এ ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে দৈনিক প্রায় ৯০০ মিলিয়ন ডলারে।
ওয়াশিংটনভিত্তিক থিঙ্ক ট্যাঙ্ক সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের (সিএসআইএস) গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে।
গবেষক মার্ক ক্যানসিয়ান এবং ক্রিস পার্ক জানিয়েছেন, যুদ্ধের প্রথম ১০০ ঘণ্টায় আনুমানিক ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার (দৈনিক প্রায় ৮৯১ দশমিক ৪ মিলিয়ন ডলার) ব্যয়ের মধ্যে মাত্র সামান্য অংশ আগে থেকে বাজেটে বরাদ্দ ছিল। ব্যয়ের সিংহভাগ অর্থাৎ প্রায় ৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারই ছিল বাজেটের বাইরে।
মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর তাদের সামরিক অভিযান সম্পর্কে খুব সীমিত তথ্য প্রকাশ করেছে উল্লেখ করে গবেষকরা জানান, তারা তাদের এ বিশ্লেষণটি মূলত ‘কংগ্রেশনাল বাজেট অফিসের’ (সিবিও) তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি করেছেন। প্রতিটি ইউনিটের পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ খরচ, মুদ্রাস্ফীতি এবং ইউনিটের আকার বিবেচনা করে এ হিসাব করা হয়েছে। এছাড়া যুদ্ধকালীন উচ্চতর তৎপরতার কারণে অতিরিক্ত ১০ শতাংশ খরচও এতে যোগ করা হয়েছে।
বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, যুদ্ধের প্রথম ১০০ ঘণ্টায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন ধরনের ২ হাজারেরও বেশি গোলাবারুদ ব্যবহার করেছে। সমপরিমাণ গোলাবারুদ পুনরায় মজুদ করতে আনুমানিক ৩ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার খরচ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যেখানে প্রতিদিন এ ব্যয় আরো ৭৫৮ দশমিক ১ মিলিয়ন ডলার করে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এ বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ ব্যয়ের ফলে মার্কিন সামরিক ভাণ্ডারে যে টান পড়েছে, তা পূরণ করা ওয়াশিংটনের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে গবেষকরা মনে করছেন।
দেশনেত্র দৃষ্টি ছাড়িয়ে