বিশ্ব ক্রিকেটের আধুনিক যুগের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার বেন স্টোকস আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন। দীর্ঘ ১৫ বছরের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের ইতি টেনে তিনি ইংল্যান্ডের ক্রিকেট বোর্ডকে (ইসিবি) নিজের সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছেন। ২০১৯ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ ফাইনালের সেই শ্বাসরুদ্ধকর সুপার ওভার কিংবা ২০২২ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের শিরোপা জয়—সবখানেই স্টোকসের বীরত্বগাথা ক্রিকেটপ্রেমীদের হৃদয়ে চিরস্থায়ী হয়ে থাকবে।
ট্রেন্ট ব্রিজে ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার তৃতীয় টেস্ট চলাকালীন এই আকস্মিক ঘোষণা পুরো ক্রিকেট বিশ্বে আলোচনার ঝড় তুলেছে। এর আগে অবসরের সম্ভাবনা নিয়ে গুঞ্জন উঠলেও স্টোকস তা উড়িয়ে দিয়েছিলেন। তবে রোববার সকালে সতীর্থ ও বোর্ডকে তিনি তাঁর সিদ্ধান্তের কথা জানান। ইংল্যান্ডের টেস্ট দলের অধিনায়ক হিসেবে তিনি নতুন উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন দলকে, বিশেষ করে ‘বাজবল’ কৌশলে টেস্ট ক্রিকেটকে নতুন রূপ দিয়েছিলেন তিনি।
স্টোকসের অবসরের এই সিদ্ধান্ত ইংল্যান্ড ক্রিকেটে এক বড় শূন্যতার সৃষ্টি করবে। মাঠের ভেতরে তাঁর লড়াকু মানসিকতা এবং কঠিন পরিস্থিতিতে ম্যাচ বের করে আনার দক্ষতা তাঁকে কিংবদন্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বিদায় নিলেও ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগগুলোতে তাঁকে দেখা যাবে কি না, তা নিয়ে এখনো স্পষ্ট কিছু জানা যায়নি। তবে ক্রিকেট ইতিহাসের পাতায় বেন স্টোকসের নাম যে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। তাঁর বিদায় মানেই একটি যুগের সমাপ্তি, যা বিশ্বজুড়ে কোটি ক্রিকেট ভক্তের মন খারাপ করে দিয়েছে।
দেশনেত্র দৃষ্টি ছাড়িয়ে