সিলেট প্রতিনিধি :
প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ক মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতে এখন পর্যন্ত চার বাংলাদেশি মৃত্যুর তথ্য জানতে পেরেছি। তার মধ্যে একজন দুবাই, একজন বাহারাইন ও দুজন সৌদি আরবে মারা গেছেন।
তিনি বলেন, আজ একজনের মরদেহ দেশে আনা হলো। পর্যায়ক্রমে মরদেহ আনা হবে। যারা আহত হয়েছেন তারাও সেসব দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। আমরা তাদের খোঁজখবর নিচ্ছি, পরিবারের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখছি। প্রবাসীদের পাশে আমরা আছি।
সোমবার (৮ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে বোমা হামলায় নিহত আহমদ আলীর লাশ সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।লাশ গ্রহণের পর মন্ত্রী আরিফুল হক বলেন, আমি নিহতের লাশ নিয়ে তার গ্রামের বড়ি যাব। তার পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে। নিহতদের পারিবারকে সরকারের তরফ থেকে সাহায্য করা হবে।
সম্প্রতি দুবাইয়ে ইরানের মিসাইল হামলায় মারা যান মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার গাজিটেকা গ্রামের আহমদ আলী। তিনি ৩৫ বছর ধরে দুবাইয়ে ছিলেন। পাসপোর্ট অনুযায়ী আর তার আহমদ আলী হলেও নিজ এলাকায় তিনি সালেহ আহমদ নামে পরিচিত। দুবাইয়ে তিনি পানিবাহী একটি গাড়ির চালক হিসেবে কাজ করতেন। নিহতের ছোট দুই ভাই জাকির হোসেন ও বোরহান আহমদও একই শহরে থাকেন। তারাই পরিবারের সদস্যদের কাছে তার মৃত্যুর খবর জানান।
মরদেহ সিলেটে পৌঁছার পর তার স্বজনরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। আহমদ আলীর ছেলে, ভাইসহ পরিবারের সদস্যরা মরদেহ নিতে বিমানবন্দরে আসেন। এ সময় প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী তাদের সান্তনা দেন।
লাশ গ্রহণের পর নিহতের চাচাত ভাই কামাল আহমদ সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, দুর্ঘটনার পর থেকে সরকারের তরফ থেকে আমাদের পরিবারের সার্বক্ষণিক যোগাযোগ করা হয়েছে। আমাদের দাবি, আমার ভাইকে যেনো শহীদের মর্যাদা দেওয়া হয়।
দেশনেত্র দৃষ্টি ছাড়িয়ে