জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক :
পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলমকে বরখাস্ত ও গ্রেফতার চেয়ে করা রিট খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) রিটকারী আদালতে উপস্থিত না থাকায় হাইকোর্ট তা খারিজ করে দেন।
এর আগে গত বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জুলফিকার আলী জুনু হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই রিট করেন। স্বরাষ্ট্র সচিব ছাড়াও জনপ্রশাসন সচিব ও আইজিপি বাহারুল আলমকে এতে বিবাদী করা হয়।
ওইদিন রিটকারী আইনজীবী জুলফিকার আলী জুনু জানান, সম্প্রতি বিডিআর হত্যাকাণ্ডের মতো স্পর্শকাতর একটি বিষয়ে জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে আইজিপি বাহারুল আলমের নাম এসেছে, তার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা এই রিট করেছি। বিডিআর হত্যাকাণ্ডের সময় তিনি তৎকালীন এসবির দায়িত্বে ছিলেন। যেহেতু এটি একটি স্পর্শকাতর বিষয়, সেহেতু এই অবস্থায় উনাকে দায়িত্বে রাখলে তদন্ত কার্যক্রম ব্যাহত হবে। এজন্য আমরা উনাকে বরখাস্তের পাশাপাশি আইনের আওতায় আনতে গ্রেফতার চেয়ে রিটটি করেছি।
এদিকে বিডিআর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে দায়ীদের তালিকায় নাম আসায় গত ৪ ডিসেম্বর আইজিপি বাহারুল আলমকে অপসারণ করতে সরকারকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। ওইদিন সুপ্রিম কোর্টের ৩ আইনজীবী প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, জনপ্রশাসন সচিব ও আইন সচিবকে এই নোটিশ পাঠান।
লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো আইনজীবীরা হলেন- অ্যাডভোকেট মো. আব্দুস সামাদ, অ্যাডভোকেট শাহিন হোসেন ও অ্যাডভোকেট মো. আতিকুর রহমান।
উল্লেখ্য, বিডিআর হত্যাকাণ্ড তদন্তে জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার জন্য বর্তমান পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলমসহ ৫ পুলিশ কর্মকর্তার নাম এসেছে। স্পর্শকাতর ওই প্রতিবেদনে আইজিপির নাম আসার পর থেকেই প্রশাসনের ভেতরে নানা আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।
দেশনেত্র দৃষ্টি ছাড়িয়ে