রুশ জ্বালানি তেলের ওপর থেকে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে যুক্তরাষ্ট্র
ফাইল ছবি

রুশ জ্বালানি তেলের ওপর থেকে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে যুক্তরাষ্ট্র

দেশনেত্র আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

সমুদ্রে আটকে থাকা রুশ জ্বালানি তেল ও পেট্রোলিয়াম পণ্য কেনার ওপর ৩০ দিনের ছাড় (ওয়েভার) দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এ বিষয়ে মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেন, ইরান যুদ্ধের কারণে অস্থির হয়ে ওঠা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারকে স্থিতিশীল করতে পদক্ষেপটি নেয়া হয়েছে। খবর রয়টার্স।

এ ঘোষণার পর আজ এশিয়ায় সকালের লেনদেনে জ্বালানি তেলের দাম কিছুটা কমে আসে। এর আগে গতকাল জ্বালানি তেলের দাম ফের ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যায়।

মার্কিন অর্থ বিভাগের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, এ অনুমতিতে ১২ মার্চ পর্যন্ত জাহাজে তোলা রুশ অপরিশোধিত জ্বালানি তেল ও পেট্রোলিয়াম পণ্য সরবরাহ ও বিক্রির অনুমতি দেয়া হয়েছে। এ অনুমতি ওয়াশিংটনের সময় অনুযায়ী ১১ এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলা এবং এরপর তেহরানের পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বেড়েছে। এর ফলে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। যা মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি তেল ও গ্যাস সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটাচ্ছে এবং জ্বালানির দাম বাড়িয়ে দিয়েছে।

ওয়াশিংটন গত বুধবার এক ঘোষণায় জানায়, কৌশলগত মজুদ (এসপিআর) থেকে ১৭ কোটি ২০ লাখ ব্যারেল জ্বালানি তেল ছাড়বে। এর লক্ষ্য হলো ইরান যুদ্ধের পর আকাশছোঁয়া জ্বালানি তেলের দাম কমানো। ৩২টি দেশের সংগঠন ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সির (আইইএ) বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ এ পদক্ষেপ, যেখানে মোট ৪০ কোটি ব্যারেল জ্বালানি তেল বাজারে ছাড়ার কথা বলা হয়েছে।

গতকাল আইইএ জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জ্বালানি তেল সরবরাহ বিঘ্নের সৃষ্টি করছে।

ফক্স নিউজের প্রতিবেদন অনুসারে, গতকাল পর্যন্ত বিশ্বের প্রায় ৩০টি স্থানে সমুদ্রে প্রায় ১২ কোটি ৪০ লাখ ব্যারেল রুশ উৎসের জ্বালানি তেলের সরবরাহ ভাসমান অবস্থায় ছিল। হরমুজ প্রণালিতে সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের এ অনুমতি বিশ্ববাজারে প্রায় ৫-৬ দিনের তেলের ঘাটতি সামাল দিতে সাহায্য করতে পারে।

নিষেধাজ্ঞা-ছাড়টি বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ বাড়ালেও এটি পশ্চিমা দেশগুলোর রাশিয়াবিরোধী প্রচেষ্টাকে জটিল করে তুলতে পারে। তাদের লক্ষ্য হলো, ইউক্রেন যুদ্ধের অর্থায়নের জন্য রাশিয়ার আয়ের উৎস কমানো। একই সঙ্গে এটি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তার মিত্রদের মতবিরোধও বাড়াতে পারে। কারণ ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভর ডার লিয়েন গত বুধবার জি-৭ নেতাদের সঙ্গে ফোনালাপে অংশ নেয়ার পর বলেছিলেন, এখন রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার সময় নয়।

এছাড়াও

মির্জা আব্বাসকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে

মির্জা আব্বাসকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে

দেশনেত্র প্রতিবেদক : বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাসকে উন্নত চিকিৎসার …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *