লাশ হয়ে বের হওয়ার চেয়ে ডিভোর্সি ট্যাগ নিয়ে থাকা ভালো : তিথি

লাশ হয়ে বের হওয়ার চেয়ে ডিভোর্সি ট্যাগ নিয়ে থাকা ভালো : তিথি

বিনোদন প্রতিবেদক :

অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী ইকরা আত্মহত্যা করেছেন। এই ঘটনার পর থেকেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আছেন অভিনেত্রী ইফফাত আরা তিথি। অভিযোগ উঠেছে, আলভীর সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়েছেন তিথি। সেটা জানতে পেরেছিলেন ইকরা। স্বামীকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে রাগে অভিমানে শেষ পর্যন্ত আত্মহত্যার পথ বেছে নেন ইকরা ।

ইকরাকে আত্মহত্যার প্ররোচনার জন্য আলভীর নামে মামলা হয়েছে। তিথিকেও আসামি করা হয়েছিলো সেই মামলায়। শোনা যাচ্ছে, তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। তবে তিথিকে নিয়ে আলোচনা থামছেই না। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাকে নিয়ে চলছে নানা রকম নেগেটিভ প্রচার, কটু মন্তব্য, ট্রল ও মিম।

কেউ কেউ তিথির অতীত জীবন টেনে এনে ছড়াচ্ছেন নানা কথা। দাবি করছেন, অন্যের স্বামী ভাগিয়ে নেয়াই তিথির চরিত্র। ইকরার স্বামী জাহের আলভীর আগে আরও এক নারীর সংসার ভেঙে তার স্বামীকে বিয়েও করেছিলেন এই তরুণ অভিনেত্রী।

সেই অভিযোগের কড়া জবাবে অভিনেত্রী বিষয়টিকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি জানান, তার সাবেক স্বামী যখন তাকে বিয়ে করেন তখন তিনি আগে থেকেই ডিভোর্সড ছিলেন। সুতরাং এখানে কারো ঘর ভাঙার প্রশ্নই ওঠে না।

সাবেক স্বামীর সন্তানদের সাথে তার সুসম্পর্ক ছিলো বলেও দাবি করেন তিনি। তিথি জানান, তার সাবেক স্বামীর দুটি সন্তান ছিলো। তারা তাদের বাবার সাথেই থাকত। তিথি সেই সন্তানদের সাথে একই বাসায় থাকতেন। তাদের মধ্যে অত্যন্ত চমৎকার সম্পর্ক ছিল। বিশেষ করে প্রাক্তন স্বামীর মেয়ের সাথে তিথির এখনো মাঝেমধ্যে যোগাযোগ হয় বলে তিনি উল্লেখ করেন। এখন অনেকেই জাহের আলভীর ইস্যুটিকে ভিত্তি করে নানা রকম মনগড়া প্রচার চালাচ্ছেন বলে দাবি করেন তিনি।

সেই সংসারে ডিভোর্সের কারণ কী? সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিথি বলেন, ‘বনিবনা না হলে বিচ্ছেদই ভালো।’সংসারে অশান্তি নিয়ে পড়ে থাকার চেয়ে বিচ্ছেদকে বেছে নেওয়া জরুরি দাবি করে তিথি বলেন, ‘লাশ হয়ে বের হওয়ার চেয়ে ডিভোর্সি ট্যাগ নিয়ে থাকা ভালো।’

তিনি স্পষ্ট জানান, বনিবনা হচ্ছিল না বলেই সেই সংসার থেখে স্বেচ্ছায় ডিভোর্স নিয়েছিলেন তিথি। এই ডিভোর্সি পরিচয় নিয়ে চলতে তার কোনো দ্বিধা বা সমস্যা নেই।

তিথি মনে করেন, পুরনো কাসুন্দি ঘাঁটা উচিত নয়। ক্ষোভ প্রকাশ করে তিথি প্রশ্ন তোলেন, যেহেতু সব বনিবনা না হওয়ার কারণে আইনিভাবেই শেষ হয়েছে, তাই এখন কেন নতুন করে তার ডিভোর্সি হওয়া বা অতীত নিয়ে কথা উঠবে? তার মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে এই ধরনের আলোচনার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

এছাড়াও

৫ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগের সিদ্ধান্ত হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

৫ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগের সিদ্ধান্ত হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

দেশনেত্র ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সরকার পাঁচ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *